নড়াইলের নবগঙ্গার নদীর ভাঙনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মন্দির মূল্যবান গাছ, অর্ধশতাধিক বসতবাড়ি বিলীন

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি ■
নড়াইলের নবগঙ্গা নদীর অব্যাহত ভাঙনে সালামাবাদ ইউনিয়নের দেবীপুর গ্রামের অর্ধশতাধিক বসতবাড়ি, স্থানীয় মন্দির, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ মূল্যবান গাছ বিলীন হয়ে গেছে। নদী তীরবর্তী ভাঙন কবলিত এ সকল এলাকার অর্ধশতাধিক পরিবার সর্বস্ব হারিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। ভাঙনে দেবীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও স্থানীয় একটি মন্দির ইতিমধ্যে বিলীন হয়েছে। ফলে এ বিদ্যালয়ের দেড় শতাধিক কোমলমতি শিক্ষার্থীর লেখাপড়ায় মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া কালিয়া উপজেলার দাশনাওরা, নওয়াগ্রাম, চাঁদেরচর, তেলিডাঙ্গা, পেড়লীস্থান ও বুড়িখালী গ্রামের শতাধিক পরিবার ভাঙন আতঙ্কে রয়েছে। আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়ের পাঠানো তথ্যর ভিতিতে জানা যায় ভাঙন কবলিত সালামাবাদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এফএম শামীম আহম্মেদ বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতা করার পাশাপাশি ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম বলেন, নবগঙ্গা নদীর ভাঙন কবলিত দেবীপুর এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত অর্ধশতাধিক পরিবারের মাঝে শুকনা খাবারসহ চিড়া, মুড়ি, গুড়, চিনি বিতরণ করা হয়েছে। দেবীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় শিক্ষার্থীদের অন্যত্র শিক্ষা গ্রহণের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এছাড়া ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। নড়াইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শরিফুল ইসলাম আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়কে বলেন, সালামাবাদ ইউনিয়নের দেবীপুর গ্রামের ভাঙন রোধে কাজের বিষয়ে আপাতত কোনো পরিকল্পনা নেই

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।