চাঁদা দাবির ফলে হাটহাজারী বাসষ্টেশন এলাকায় সড়কের কাজ বন্ধ রয়েছে

একে.এম নাজিম, হাটহাজারী প্রতিনিধিঃ  হাটহাজারী বাসষ্টেশন এলাকায় দীর্ঘ দিন ধরে সড়কের কাজ বন্ধ থাকায় হাজার হাজার যাত্রী সাধারণের মাঝে নানান প্রশ্নের ঘুর পাক খাচ্ছে। দীর্ঘ দিন ধরে এই কাজ বন্ধ রাখার ফলে প্রতিদিন দুই পাবর্ত্য জেলা রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলাসহ ২৮টি সড়কের যাত্রী সাধারণ ঘন্টার পর ঘন্টা যানজটে আটকা পড়ে¡ যাত্রীরা গুরুত পূর্ণ সময় হারাচ্ছে।

অফিস-আদালতের কর্মজিবিরা শিক্ষক শিক্ষার্থীরা তাদের গুরুত্ব পূর্ণ সময় হারাচ্ছে। এছাড়া কাজ বন্ধ থাকায় উক্ত এলাকা দিয়ে যান চলাচল করতে ব্যপক হিমশিম খাচ্ছে। চট্টগ্রাম হাটহাজারী সড়কের সম্প্রসারণ কাজ ইতিমধ্যে প্রায় সম্পর্ন হওয়ার পথে। তারই অংশ হিসেবে অতি গুরুত্ব পূর্ণ হাটহাজারী বাসষ্টেশন এলাকার সড়কটি কুড়ে নতুন ভাবে ঢালায় করে কাজ করার অনুমোদন পায়। কিন্তু ঠিকাদারী প্রতিষ্টানটি সামান্ন কাজ করে অজ্ঞাত কারণে পূণরায় কাজ বন্ধ করে ফেলে রেখে চলে যায়।

তবে স্থানীয় লোকজন জানান, প্রতিষ্টানটি কাজ করতে আসলে ঠিকাদারের কাছ হতে কিছু যুবক এসে চাঁদা দাবী করলে ঠিকাদার কাজটি বন্ধ রেখে চলে যায়। এতে সাধারণ মানুষের দূর্ভোগ চরম আকার ধারণ করছে।

তবে চাঁদা দাবী কারিদের কোন রাজনৈতিক দলের পরিচয় পাওয়া যায়নি। প্রতিনিয়তই সড়কে দীর্ঘ যানজটের লাইন দেখা যায় পাশা পাশি সড়কের ধুলা বালির কারণে সাধারণ লোকজন চলাচল করার সময় নাকে মুখে কাপড় দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এই ধুলা বালির কারণে বিভিন্ন রোগ দেখা দিচ্ছে। চাকুরি জিবী ও শিক্ষার্থীরা সকালে কাপড় চোপড় পড়ে হাটহাজারী বাসষ্টেশন এলাকায় আসলে ধুলা বালির কারণে নাকাল হতে হয়। প্রতিদিন উক্ত এলাকায় যানজটের কারণে বিরক্তি কর সময় কাটাচ্ছে হাজার হাজার যাত্রীরা।

এ ব্যপারে স্থানীয় লোকজনের কাছে জানতে চাইলে তারা জানান, বিগত কয়েকদিন পূর্বে কাজ করতে আসলে ঠিকাদারের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করেছে বলে তারা অভিযোগ করেন। তবে কারা চাঁদা দাবি করছে তার কোন সুস্পষ্ট হদিস পাওয়া যায়নি।

দুই পাবর্ত্য জেলার রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি এই দুই জেলার যাতায়াতের মূল সড়ক এই হাটহাজারীর উপর দিয়ে। জন গুরুত্ব পূর্ণ হাটহাজারী বাসষ্টেশন এলাকায় সড়কের এই দুরবস্থা দেখে স্থানীয় ও যাত্রী সাধারণ প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান অভিলম্বে সড়কটি সাধারণ যাত্রীদের যাতায়েতের জন্য উপযোগি করে দেওয়ার জন্য। প্রয়োজনে পুলিশ পাহাড়ার মধ্যে কাজটি সম্পর্ণ করা জরুরি হয়ে পড়েছে। এ ব্যপারে ঠিকাদারের বক্তব্যর জন্য মোবাইল ফোনে তাকে পাওয়া যায়নি।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।