নড়াইলে শসা চাষ করে স্বাবলম্বী হচ্ছে ১০ গ্রামের চাষির, সরকারি পৃষ্ঠপোষকার দাবি স্থানীয় চাষিদের

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি: নড়াইলে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে শসার আবাদ। ধান ও পাটের তুলনা লাভ বেশি হওয়ায় শসা চাষ করে ভাগ্য বদলাচ্ছেন সদর উপজেলার শোভারঘোপ, বড়গাতি, গোবরাসহ কমপক্ষে ১০ টি গ্রামের চাষিরা। এমনকি শসা ক্ষেতে দিন মজুর খেটেও সচ্ছল ভাবে সংসার চালাচ্ছেন এই এলাকারদন মজুর কৃষকরা। বিস্তারিত আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়ের রিপোর্টে এখানকার শসা ঢাকা, খুলনা, বাগেরহাটসহ দেশের বিভিন্নস্থানে বিক্রী করা হয়। খরচ এবং সময় কম লাগার পাশাপাশি লাভ বেশি হওয়ায় কৃষকরা শসা চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। ধান ও পাট চাষে অনেক খরচ হলেও তেমন একটা লাভ থাকে না। অথচ শসা চাষে সার, ঔষধ তেমন একটা লাগে না বললেই চলে। প্রতি একর জমিতে ৫০ থেকে ৫৫ হাজার টাকা খরচ হলেও লাভ হয় এক থেকে এক লাখ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত।

শোভারঘোপ গ্রামের নাজমুল শেখ জানান, শসা চাষে খরচ কম এতে লাভ বেশি হওয়ায় দিন দিন এ এলাকায় শসার চাষ বাড়ছে। শসা ক্ষেতের দিন মজুর শ্রমিক সুনিল দাস জানান, শসার ক্ষেতে শ্রম বিক্রী করে তাদের সংসার ভালই চলছে। পাশাপাশি সন্তানদের খেলাপড়াও শেখাচ্ছেন তিনি। বাগেরহাট থেকে আসা পাইকার ব্যবসায়ী রহিম মিয়া জানান, আমরা মোট ২০ থেকে ৩০ জন ব্যবসায়ী এখান থেকে শসা কিনে নিয়ে ঢাকা, খুলনা, বাগেরহাটসহ দেশের বিভিন্নস্থানে বিক্রী করে থাকি। এখান থেকে পাইকারি শসা কিনে তা বিক্রি করে বেশ লাভবান হচ্ছেন বলে জানান এই ব্যবসায়ী। সিংগশোলপুর ইউনিয়ন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা কে বলেন, ৩০ থেকে ৪০ দিনের ফসল শসা। ধান-পাট চাষে অনেক সময় লাগে খরচ বেশি হয় সে তুলনায় লাভ হয় কম। কিন্তু শসা চাষে লাভ হয় অনেক বেশি। জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বলেন, এবছর জেলায় ১০৫ হেক্টর জমিতে শসা আবাদ করা হয়েছে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের সা র্বিক সহযোগিতা প্রদান করা হয় বলেও জানান তিনি।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।