নড়াইল ধান কাটা, মাড়াই, পরিষ্কার করার কাজে ব্যস্ত সময় কাজ করছেন কৃষক

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি■: নড়াইল, ১৫ নভেম্বর, ২০১৬ : জেলায় রোপা আমন ধানের বাম্পার ফলন হওয়ায় হাসি ফুটেছে কৃষকদের মুখে। এখন ধান কাটা, মাড়াই, পরিষ্কার করার কাজে ব্যস্ত সময় কাজ করছেন তারা। ভোর থেকে শুরু করে রাত পর্যন্তু. নড়াইলে রোপা আমন ধানের আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে ৩শ’ হেক্টর বেশি জমিতে রোপা আমন আবাদ বেশি হয়েছে। ৩০ হাজার ৭৭ হেক্টর জমিতে আমানের চাষ করা হয় উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৫ হাজার ৯শ’ ৪৫ মেট্টিকটন। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলায় হাইব্রিড চাষ করা হয়েছে এক হাজার ৪শ’ ১২ হেক্টর জমিতে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৪ হাজার ৬শ’ ৬০ মেট্টিকটন, উফশী ২২ হাজার ৩শ’ ৪৩ জমিতে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৬০ হাজার ৭শ’ ২৮ মেট্টিকটন এবং স্থানীয় জাতের ৬হাজার ৩শ’ ২২ হেক্টর জমিতে উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ হাজার ৫শ’ ৫৭ মেট্টিকটন। আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়ের পাঠানো তথ্যর ভিতিতে জানা যায় সদর উপজেলায় হাইব্রিড এক হাজার ২শ’ ১০ হেক্টর জমিতে আবাদ করা হয়েছে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৯শ’ ৯৩ মেট্টিকটন। উফশী ১০ হাজার ৫শ’ হেক্টর জমিতে আবাদ করা হয়েছে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৮ হাজার ৫শ’ ৩৯ মেট্টিকটন। স্থানীয় এক হাজার ৮শ’ ৬০ হেক্টর জমিতে রোপা আবাদ করা হয়েছে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার একশ’ ৬ মেট্টিকটন। লোহাগড়া উপজেলায় উফশী ৬ হাজার ২শ’ হেক্টর জমিতে আবাদ করা হয়েছে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬ হাজার ৮শ’ ৫২ মেট্টিকটন। স্থানীয় এক হাজার ২শ’ ৭২ হেক্টর জমিতে আবাদ করা হয়েছে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার একশ’ ২৪ মেট্টিকটন। কালিয়া উপজেলায় হাইব্রিড ২শ’ ২ হেক্টর জমিতে আবাদ করা হয়েছে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬শ’ ৬৭ মেট্টিকটন। উফশী ৫ হাজার ৬শ’ ৪৩ হেক্টর জমিতে আবাদ করা হয়েছে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ হাজার ৩শ’ ৩৭ মেট্টিকটন। স্থানীয় ৩ হাজার একশ’ ৯০ হেক্টর জমিতে আবাদ করা হয়েছে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৩শ’ ২৭ মেট্টিকটন। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বলেন, জেলায় রোপা আমনের চাষ লক্ষমাত্রার চেয়ে ৩শ’ হেক্টর জমিতে বেশি আবাদ হয়েছে। জেলায় হাইব্রিড একর প্রতি ৩ দশমিক ৩ মেট্টিকটন, উফশী ২ দশমিক ৭১৮ এবং স্থানীয় ১ দশমিক ৬৭ মেট্টিকটন। মোট ৭৫ হাজার ৯শ’ ৪৫ মেট্টিকটন ধান উৎপাদন হবে বলে আশা করেন তিনি। কৃষি বিভাগের পক্ষ কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতাকরা হচ্ছে বলেও জানান।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।