ইশ্বরদীতে দলীয় কোন্দলে গুলিবিদ্ধ যুবলীগ নেতার পা কেটে ফেলা হয়েছে!

#ঈশ্বরদী উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক কোহিদুল ইসলাম ওরফে কুদ্দুস ফকিরের গুলিবিদ্ধ ডান পা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কেটে ফেলা হয়েছে।

আজ ২০ ডিসেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কুদ্দুস ফকিরের ডান পা হাঁটু থেকে কেটে ফেলা হয়। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে সাহাপুরে কুদ্দুস ফকিরের দুই পায়ে গুলি করে এবং ডান হাত ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে আহত করে দুর্বৃত্তরা।
fb_img_1482250985431

পঙ্গু হাসপাতাল কুদ্দুস ফকিরের সঙ্গে থাকা সাহাপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান বলেন, শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটায় গতকাল দিবাগত রাত তিনটার দিকে কুদ্দুসকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে নেওয়া হয়। আজ বেলা তিনটার দিকে অস্ত্রোপচার করে তাঁর ডান পা হাঁটু পর্যন্ত কেটে ফেলা হয়েছে।

ঈশ্বরদী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাশেদুল ইসলাম ও কুদ্দুস ফকিরের চাচাতো ভাই ডাবলু ফকির বলেন, গতকাল সন্ধ্যার পর কুদ্দুস ফকির মোটর সাইকেল চালিয়ে সাহাপুর ইউনিয়নের মহাদেবপুর থেকে সাহাপুর মসজিদ মোড়ের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় সাত-আটজন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী মোটর সাইকেলের গতিরোধ করে কুদ্দুসের দুই পায়ে গুলি করে এবং ডান হাতে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে মারাত্মক আহত অবস্থায় রাস্তায় ফেলে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে স্বজনেরা তাঁকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হওয়ায় ওই রাতে তাঁকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে নেওয়া হয়।

ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের অর্থবিষয়ক সম্পাদক সাদেক আলী বিশ্বাস বলেন, কুদ্দুস ফকির সাহাপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক।

ঈশ্বরদী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রমজান আলী বলেন, কুদ্দুস ফকিরের পরিবার মামলা করবে বলে জানিয়েছে। তবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই ঘটনায় মামলা হয়নি। দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জের ধরে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।