বিশ্ববাজারে ট্রাম্পভীতি – পুঁজিবাজারে শেয়ার ও ডলারের দরপতন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের কারণে টানা দুদিন বৈশ্বিক পুঁজিবাজারে শেয়ার ও ডলারের দরপতন হয়েছে। মূল দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি নির্বাচনী লড়াইয়ের ইঙ্গিত পেয়ে ঝুঁকি এড়াতে নিরাপদ বিনিয়োগের দিকে ছুটছেন বিনিয়োগকারীরা। ৮ নবেম্বর নির্বাচনের পরিণতি কোনদিকে গড়াবে সেই অনিশ্চয়তায় যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বন্ডের দর এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে ঠেকেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের রেকর্ড পরিমাণ মজুদ হওয়ায় তেলেরও ব্যাপক দরপতন হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের চেয়ে হিলারি প্রেসিডেন্ট হলে যুক্তরাষ্ট্রের পুঁজিবাজার ভাল চলবে বলে গত মাসে এক পুঁজিবাজার জরিপে পূর্বাভাস দিয়েছিলেন সংখ্যাগরিষ্ঠ বিশ্লেষকরা।

বার্তা সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়, যেই বিনিয়োগকারীরা ডেমোক্র্যাট পার্টির প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের জয় নিয়ে অনেক আগে বাজি ধরেছেন তারা নির্বাচনী দৌড়ে রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের এগিয়ে যাওয়ার আলামত দেখে নতুন করে ভাবতে শুরু করেছেন। এর ফলে বিশ্বজুড়ে প্রধান পুঁজিবাজারগুলোতে চলতে থাকা দরপতন আরও ঘনীভূত হয়েছে। বস্টনে ম্যানুলাইফ এ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নেইল মাসা বলেন, ‘আজকের মূল চালিকাশক্তি নির্বাচন ঘিরে উদ্বেগ। মনে হচ্ছিল, ক্লিনটনই জিততে যাচ্ছেন এবং এখন যে ট্রাম্প গতি পাচ্ছে তাতে লোকজন উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ছে।’ যুক্তরাষ্ট্রের পুঁজিবাজারে দরপতনের পেছনে ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক সুদের হার অপরিবর্তিত রাখারও কিছুটা অবদান রয়েছে। ডিসেম্বরে সুদের হার বাড়ানোর হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে ফেডারেল রিজার্ভের এ সিদ্ধান্তকে ‘অস্বাভাবিক’ মনে করছেন না এ্যালান ল্যাঞ্জ, যিনি ওহাইয়োর টলেডোতে একটি বিনিয়োগ পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে কাজ করছেন। ‘…এই বাজার এখন অনেকটাই নির্বাচনে কেন্দ্রীভূত।

-ওয়েবসাইট

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।