শিক্ষানীতি ও শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য কিছু জরুরি বিবেচ্য

আবুল কাসেম ফজলুল হকবাংলাদেশে শিক্ষানীতি ও শিক্ষাব্যবস্থার আমূল সংস্কার দরকার। এর জন্য প্রথম পর্যায়ে দরকার সর্বজনীন কল্যাণে দূরদর্শী চিন্তা-ভাবনা, আলোচনা-সমালোচনা ও বিচার-বিবেচনা। শিক্ষানীতি ও শিক্ষাব্যবস্থা কেমন হওয়া উচিত সে সম্পর্কে ধারণা যদি ঠিক হয়, তাহলে সেই লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে চেষ্টা চালালে সমাধানযোগ্য সব সমস্যারই সমাধান করা যাবে। লক্ষ্য ও যাত্রাপথ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা নিয়ে এগোতে হবে।

উন্নত প্রযুক্তি ও শ্রমশক্তির কল্যাণে উত্পাদন ও সম্পদ বৃদ্ধি পাচ্ছে; কিন্তু নৈতিক চেতনার নিম্নগামিতার কারণে সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে এবং মানুষ অমানবিক হয়ে চলছে। এ অবস্থায় জাতীয় শিক্ষানীতি ও শিক্ষাব্যবস্থার পাশাপাশি রাষ্ট্রের অন্য সব ব্যবস্থারও সংস্কার দরকার। অভীষ্ট সংস্কারের জন্য দীর্ঘকালের প্রচেষ্টা লাগবে। লক্ষ্য নির্ধারণ করে কাজ করে যেতে হবে। মনে রাখতে হবে, আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি ও লক্ষ্য আর কায়েমি-স্বার্থবাদীদের দৃষ্টিভঙ্গি ও লক্ষ্য এক নয়।

শিক্ষাক্ষেত্রে যে অবস্থা বিরাজ করছে তাতে সহজে এর উন্নতিসাধন সম্ভব হবে না। অভীষ্ট-নির্ণয়ের ও অভীষ্ট-অর্জনের জন্য যাঁরা কাজ করবেন, তাঁদের সংঘবদ্ধ দূরদর্শী ধারাবাহিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। প্রথম পর্যায়ের কাজের জন্য কয়েকটি বিষয় কর্মসূচিভুক্ত করা যেতে পারে। যেমন—

১. প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণির পরিবর্তে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত রেখে এর মান উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। পঞ্চম শ্রেণির ও অষ্টম শ্রেণির পাবলিক পরীক্ষা বাতিল করতে হবে। এ-দুটি পরীক্ষা প্রবর্তনের ফলে শিক্ষা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং কোচিং সেন্টার, গাইড বুক ইত্যাদির ব্যবসাতে স্বর্ণযুগ দেখা দিয়েছে। এগুলো বাতিল করা হলে ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ-অবস্থায় সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা এবং দেশি-বিদেশি যেসব শক্তি এ-ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছে তারা পরিবর্তনে বাধা দেবে। জনমত প্রবল হলে বাধা টিকবে না।

২. কথিত সৃজনশীল পরীক্ষা-পদ্ধতি পরিবর্তন করে এমন পদ্ধতি প্রবর্তন করতে হবে যা শিক্ষার্থীদের মনে পাঠানুরাগ, অনুসন্ধিত্সা, জ্ঞানস্পৃহা, দেশপ্রেম, স্বাজাত্যবোধ, মানুষের প্রতি ভালোবাসা, সুনাগরিকত্ববোধ ও উন্নত জীবনের আকাঙ্ক্ষা জাগাবে। শিক্ষার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের আনন্দের যোগ ঘটাতে হবে। বর্তমানে শিশু-কিশোররা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করে শিক্ষার্থী হিসেবে, কিন্তু তার পরেই তারা বইয়ের বোঝা পিঠে নিয়ে পরীক্ষার্থী হয়ে যায়— শিক্ষার্থী আর থাকতে পারে না। এই অবস্থা পরিবর্তন করতে হবে। বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল, ইউনেস্কো ও ইউনিসেফের অন্ধ-অনুসারীরা পরীক্ষা-পদ্ধতির অভিপ্রেত পরিবর্তন-সাধনে বাধা দেবে। সাম্রাজ্যবাদীরা ও তাদের অনুসারীরা দুর্বল জাতিগুলোতে শিক্ষার উন্নতি চায় না— তারা কেবল সার্টিফিকেট দিয়ে সন্তুষ্ট রাখার ব্যবস্থা চায়। জ্ঞানেই শক্তি— বৃহত্ শক্তিবর্গ এটা বোঝে এবং এই শক্তিকে তারা কেবল নিজেদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চায়। জাতীয়তাবাদ ও তার সম্পূরক আন্তর্জাতিকতাবাদের চেতনা নিয়ে, জাতীয় ঐক্য অবলম্বন করে, সাম্রাজ্যবাদী নীতি ও প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করতে হবে।

৩. ইংলিশ ভার্সন বিলুপ্ত করতে হবে। যাঁরা সন্তানদের যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া প্রভৃতি রাষ্ট্রে নাগরিকত্ব লাভের জন্য কিংবা বড় চাকরি পাওয়ার জন্য ইংরেজি মাধ্যমে পড়াতে চান, তাঁদের জন্য ব্রিটিশ সরকার ও ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক স্থানীয় ব্রিটিশ কাউন্সিলের মাধ্যমে পরিচালিত ও-লেভেল, এ-লেভেল আছে। তা ছাড়াও আছে বিদেশী সরকার দ্বারা পরিচালিত ইংরেজি মাধ্যমের আরো কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সেসবের পাশে ইংলিশ ভার্সনের দরকার নেই। বাংলাদেশে যাঁরা আজকাল কেবল বিশ্বমান অর্জনের কথা বলেন তাঁরা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় অস্তিত্ব ও জনজীবনের কথা একটুও ভাবেন না। যাঁরা দ্বৈত নাগরিক, যাঁদের স্ত্রী অথবা স্বামী অথবা সন্তান দ্বৈত নাগরিক কিংবা বিদেশি নাগরিক, তাঁরা যাতে বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, উপসচিব থেকে সচিব, জজ কোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক ইত্যাদি রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ কোনো পদে থাকতে না পারেন, সংবিধানে তার সুস্পষ্ট বিধান রাখতে হবে।

৪. সারা দেশে সব শিশুকে বিদেশি ভাষা শেখানোর দরকার নেই। চাহিদা বিবেচনা করে সংখ্যা নির্ধারণ করে নির্দিষ্ট সংখ্যক প্রতিষ্ঠানে ইংরেজি ও আরো কয়েকটি বিদেশি ভাষা ভালো করে শেখানোর ব্যবস্থা করতে হবে। কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া, বিশ্বের উন্নত ও অনুন্নত কোনো রাষ্ট্রেই সব শিশুকে বিদেশি ভাষা শেখানো হয় না। বর্তমানে মূলধারার (এনসিটিবি যে ধারার পাঠ্যপুস্তক জোগান দেয়) বাংলা মাধ্যমে ইংরেজি শেখানোর যে ব্যবস্থা আছে, জনস্বার্থে তার পুনর্গঠন ও উন্নয়ন দরকার। উচ্চশিক্ষা পর্যায়ে অন্তত একটি বিদেশী ভাষা সবাইকেই ভালো করে শিখতে হবে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে বাংলা ভাষা শেখার ব্যবস্থাকে যথাসম্ভব উন্নত করতে হবে।

৫. মাধ্যমিক পর্যায়ে মূলধারার বাংলা মাধ্যমের বিজ্ঞান, বাণিজ্য ও মানবিক শাখাকে একীভূত করে এক ধারায় পরিণত করতে হবে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে জাতীয় ইতিহাস, পৌরনীতি ও নীতিশিক্ষাকে বাধ্যতামূলক বিষয় রূপে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। মূলধারার বাংলা মাধ্যমের প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যসূচি, পাঠক্রম ও পাঠ্যপুস্তক উন্নত করতে হবে। প্রাথমিক শিক্ষা সকলকেই গ্রহণ করতে হবে। সারা দেশে বাস্তব অবস্থা অনুযায়ী প্রাথমিক কিংবা মাধ্যমিক পর্যায়ের পরে পেশামূলক শিক্ষাকে অনেক প্রসারিত করতে হবে এবং তার পাঠ্যসূচিতে পেশামূলক বিষয়গুলোর সঙ্গে বাংলা ভাষা, জাতীয় ইতিহাস ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে আবশ্যিক বিষয় রূপে স্থান দিতে হবে। সারা দেশে গরিবদের শিক্ষার জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক বৃত্তি প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে বাংলা মাধ্যমের মূলধারা খুব বেশি ত্রুটিপূর্ণ ও বিকারপ্রাপ্ত। মূলধারার বাংলা মাধ্যমের শিক্ষাকে উন্নত করা হলে তার পাশে মাদ্রাসা ধারাও উন্নতিতে আগ্রহী হবে। বর্তমানে মূলধারার বাংলা মাধ্যম সবচেয়ে অবহেলিত, বিকৃত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে চলেছে।

৬. মাদ্রাসা শিক্ষার ক্ষেত্রে মাদ্রাসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মহলগুলোর মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। যে অবস্থা চলছে তাতে বিরোধমূলক নীতি পরিহার করে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের নীতি অবলম্বন করতে হবে। সবকিছু করতে হবে রাষ্ট্রের সংবিধানের আওতায় থেকে।

৭. বিশ্ববিদ্যালয়ে ও কলেজে সেমিস্টারের মেয়াদ চার মাস কিংবা ছয় মাসের পরিবর্তে এক বছর করতে হবে। পরীক্ষার ফল গ্রেড পয়েন্টে প্রকাশ করা অব্যাহত রাখতে হবে। গবেষণায় গবেষকদের স্বাধীনতা বাড়াতে হবে। উচ্চশিক্ষার ২০ বছর মেয়াদি কৌশলপত্রের স্থলে জাতীয়তাবাদ ও তার সম্পূরক আন্তর্জাতিকতাবাদ অবলম্বন করে নতুন উচ্চশিক্ষানীতি প্রবর্তন করতে হবে এবং তার জন্য বাজেটে অর্থ বরাদ্দ বাড়াতে হবে।

৮. জাতীয়তাবাদ ও তার সম্পূরক আন্তর্জাতিকতাবাদভিত্তিক কর্মনীতি নিয়ে গ্রেকো-রোমান-ইউরো-আমেরিকান সভ্যতার প্রগতিশীল মহান বিষয়াদিকে— দর্শন, বিজ্ঞান, ইতিহাস, শিল্প-সাহিত্য, প্রযুক্তি, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ, আন্তর্জাতিকতাবাদ ইত্যাদিকে— আমাদের প্রয়োজন ও সামর্থ্য অনুযায়ী যথাসম্ভব আত্মস্থ করতে হবে, আর তাদের উপনিবেশবাদী ও সাম্রাজ্যবাদী বিষয়াদিকে যথাসম্ভব পরিহার করে চলতে হবে। বিশ্বায়নের কর্তৃপক্ষ (যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল, ন্যাটো, জি৭, বিশ্ববাণিজ্য সংস্থা, জাতিসংঘ) ও তার সাম্রাজ্যবাদী চরিত্র সম্পর্কে পরিপূর্ণ সচেতনতা দরকার। বাইর থেকে আমাদের গ্রহণ করতে হবে নিজেদের বিবেচনায়, নিজেদের সত্তায় থেকে— নিজেদের সত্তাকে সমৃদ্ধ করার জন্য। শিক্ষাক্ষেত্রে আমাদের উন্নতির জন্য এসব বিষয়ে পরিপূর্ণ সচেতনতা অবলম্বন করতে হবে।

৯. বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রব্যবস্থার সম্ভবপর সব পর্যায়ে রাষ্ট্রভাষা রূপে প্রতিষ্ঠা করার, উচ্চশিক্ষা গবেষণা ও বিচার ব্যবস্থায় বাংলা প্রচলন, বাংলা ভাষায় জ্ঞান-বিজ্ঞানচর্চার পাশাপাশি বাংলা ভাষার সার্বিক উন্নতির লক্ষ্যে দূরদর্শী জাতীয় পরিকল্পনা ঘোষণা করে কাজ করতে হবে। বাংলা ভাষা, ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীগুলোর ভাষা, ধর্মীয় ভাষা ও বিদেশী ভাষা ইত্যাদি বিবেচনা করে সুষ্ঠু জাতীয় ভাষানীতি অবলম্বন করতে হবে। জাতীয় পর্যায়ে জনজীবনের বৈচিত্র্য ও ঐক্য দুটোতেই যথোচিত গুরুত্ব দিয়ে বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের ও সবার উন্নতির নীতি অবলম্বন করতে হবে।

১০. শিক্ষানীতি ও শিক্ষাব্যবস্থাকে এমনভাবে পুনর্গঠিত করতে হবে যাতে— (ক) সারা দেশে বিভিন্ন বিষয়ে পেশামূলক শিক্ষার মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক যোগ্য, দক্ষ, উত্পাদনক্ষম, উন্নত চরিত্রবলসম্পন্ন কর্মী সৃষ্টি হয় (খ) শিক্ষানীতি ও শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে শক্তিমান রাষ্ট্ররূপে বাংলাদেশকে গড়ে তোলার ও ভালোভাবে পরিচালনা করার উপযোগী শিক্ষিত লোক তৈরি হয় (গ) দর্শন, বিজ্ঞান, ইতিহাস, শিল্প-সাহিত্য, প্রযুক্তি ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রকৃত জ্ঞানী ও সৃষ্টিশীল ব্যক্তিদের আত্মপ্রকাশের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

আরো অনেক গুরুতর বিষয় আছে যেগুলোকে পর্যায়ক্রমে কর্মসূচিভুক্ত করে নিয়ে কাজ করতে হবে। কেবল চিন্তা দিয়ে হবে না, চিন্তার সঙ্গে কাজ লাগবে। জনসাধারণকে জাগতে হবে, জনসাধারণ ঘুমিয়ে থাকলে ভালো কিছুই হবে না। কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য লাগবে সংঘশক্তি। জাতীয় শিক্ষানীতি ও শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারের জন্য পরিচ্ছন্ন কর্মসূচি নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। আন্দোলন গড়ে ওঠার আগেই সরকার যদি এই সংস্কারপ্রস্তাব গ্রহণ করে নেয় এবং এর বাস্তবায়ন আরম্ভ করে, তাহলে তা সরকার ও জনগণ সবার জন্যই কল্যাণকর হবে। বাংলাদেশের জনগণের রাষ্ট্র রূপে বাংলাদেশ গড়ে উঠবে কি-না, তা বহুলাংশে নির্ভর করে শিক্ষানীতি ও শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারের ওপর।

যদি কোনো বিশ্বসরকার গঠিত হয় তাহলে তার রূপ ও প্রকৃতি হবে আন্তর্জাতিক-ফেডারেল; এবং তাতে জাতিরাষ্ট্র, জাতি, জাতীয় সংস্কৃতি, জাতীয় ভাষা বিলুপ্ত হবে না— বিকাশশীল থাকবে। বিশ্বসরকারের কাছে খুব কম বিষয়েরই ক্ষমতা থাকবে, জাতীয় সরকারের কাছেই থাকবে প্রায় সব ক্ষমতা। এ অবস্থায় বাংলাদেশকে সর্বজনীন গণতন্ত্র অবলম্বন করে প্রগতিশীল স্বাধীন রাষ্ট্ররূপে গড়ে তোলা আমাদের কেন্দ্রীয় কর্তব্য। জাতীয়তাবাদ ও তার সম্পূরক আন্তর্জাতিকতাবাদ অবলম্বন করে বিশ্বব্যবস্থাকে পুনর্গঠিত করতে হবে।

 

লেখক: প্রাবন্ধিক; অধ্যাপক

বাংলা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।