যেসব দেশ নারীদের জন্য নরক

মানুষ উন্নতির পথে দ্রুত হাঁটছে। বিজ্ঞানে-প্রযুক্তিতে এগিয়ে গেছে অনেকদূর। কিন্তু পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে কিছু কিছু সমাজব্যবস্থায় হয়নি এতটুকু পরিবর্তন। সেখানে রয়ে গেছে বর্বরতার ছাপ। নারীর উপর চলে নানারকম নারকীয় নির্যাতন। জেনে নিন অত্যাচারের নানা ধরন সম্পর্কে যা শুনলে আঁতকে উঠতে হয়:

ব্রেস্ট আয়রনিং: স্তনের উপর চেপে ধরা হয় পাথর, হাতুড়ি বা খুন্তি। ক্যামেরুন, নাইজেরিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার বেশকিছু সম্প্রদায়ের মানুষ বয়ঃসন্ধিকালের মেয়েদের উপর এভাবে অত্যাচার করে। এতে স্তনের টিস্যুগুলো নষ্ট হয়ে যায়। তারা বিশ্বাস করে কোন নারীর স্তন যদি আর বৃদ্ধি না পায়, তাহলে ধর্ষণের আশঙ্কা থাকবে না। আর ব্রেস্ট আয়রনিং পদ্ধতিতে অত্যাচার চালায় খোদ মেয়ের বাবা-মা।

খৎনা: সোমালিয়া ও মিশরে মেয়েদের সতীত্ব ধরে রাখার জন্য অতি শৈশবেই জোর করে খৎনা করায়। এটা করার সময় মেয়েটিকে অজ্ঞান করা হয় না। ফলে তীব্র যন্ত্রণায় চিৎকার করতে থাকে শিশুকন্যাটি।

টুথ সিজলিং: সুমাত্রার মেনতাওয়াই আদিবাসীরা বিশ্বাস করে তীক্ষ্ণ দাঁতযুক্ত নারী অনেক বেশি আকর্ষণীয় হয় এবং তাদের শরীরের সঙ্গে আত্মার যোগ থাকে বেশি। সেই কারণে মেয়েরা একটু বড় হওয়ার পর জোর করে ধারালো ব্লেড দিয়ে তাদের দাঁত ঘষে দেয়া হয়।

বিটিং সেশন: বিয়ের পাত্রী নির্বাচনের জন্য ব্রাজিলসহ আরও কয়েকটি দেশে মেয়েটিকে নগ্ন করে মারধর করা হতে থাকে যতক্ষণ না সে জ্ঞান হারাচ্ছে বা মারা যাচ্ছে। যদি মেয়েটির জ্ঞান ফিরে আসে, তাহলে তাকে বিয়ের জন্য উপযুক্ত ধরা হয়।
ট্যাটু: প্যারাগুয়ে ও ব্রাজিলের কিছু সম্প্রদায়ের মধ্যে জোর করে নারীদের পাকস্থলী, স্তন ও পিঠে ট্যাটু করে দেওয়া হয়।

জোর করে খাওয়ানো: মরিশানিয়েতে বিশ্বাস করা হয় বউ যত বেশি মোটা হবে ততই ভাগ্য খুলবে। সমৃদ্ধি আসবে। আর সেই কারণে সেদেশের তরুণীদের জোর করে খাওয়ানো হয়। দিনে প্রায় ১৬০০০ ক্যালোরি খেতে বাধ্য করা হয়। যাতে তাদের জন্য ভালো বর পাওয়া যায়।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।