মৃত্যুদণ্ড ফিরছে তুরস্কে

তুরস্কের পার্লামেন্ট মৃত্যুদণ্ড বহাল করবে। এ বিষয়ে পুরোপুরি আশ্বস্ত তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়্যিপ এরদোগান। রাজধানী আঙ্কারায় তিনি বলেছেন, পার্লামেন্টকে তিনি মৃত্যুদণ্ড পুনঃপ্রবর্তনের আহ্বান জানাবেন। তিনি আশ্বাস প্রকাশ করেন যে, গত জুলাইয়ে সামরিক অভ্যুত্থান ঘটনোর ব্যর্থ চেষ্টা চালানো ব্যক্তিদের শাস্তি নিশ্চিত করার এ প্রস্তাব পার্লামেন্ট পাস করবে।

তিনি বলেন, আমার সরকার এ প্রস্তাবটি পার্লামেন্টে তুলবে। আমার বিশ্বাস আছে, পার্লামেন্ট তা পাস করবে। এরপর এ প্রস্তাবটি আমার কাছে আসবে। আমি প্রস্তাবটি অনুমোদন দেবো। তুরস্কে উচ্চ গতির ট্রেনের জন্য একটি স্টেশন উদ্বোধন করতে গিয়ে এসব কথা বলেন এরদোগান।

এ সময় সমবেত জনতা স্লোগান দেয় আমরা মৃত্যুদণ্ড চাই। তাদের জবাবে প্রেসিডেন্ট এরদোগান বলেন, শিগগিরই তা হবে। উদ্বিগ্ন হবেন না। আল্লাহর ইচ্ছায় শিগগিরই তা হতে যাচ্ছে।

জুলাইয়ের ব্যর্থ অভ্যুত্থানের পর তিনি বলেছিলেন, যদি মৃত্যুদণ্ড ফেরানোর প্রস্তাব আসে তাহলে তিনি তা অনুমোদন করবেন। উল্লেখ্য, তুরস্কে ২০০৪ সালে মৃত্যুদণ্ড বাতিল করা হয়।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য পদ পাওয়ার জন্য তারা এ উদ্যোগ নেয়। কিন্তু ব্যর্থ অভ্যুত্থানের পর তুরস্ক যখন ষড়যন্ত্রে জড়িত সন্দেহভাজনদের বিরুদ্ধে ব্যাপক ধরপাকড় শুরু করে তখন থেকেই ব্রাসেলসের সঙ্গে আঙ্কারার সম্পর্কে টান ধরেছে। ওই সময়ে আইনের শাসনের অধীনে কর্মকাণ্ড চালাতে তুরস্কের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে প্রেসিডেন্ট এরদোগান বলেন, পশ্চিমারা এটা বলে। পশ্চিমারা ওটা বলে। কিন্তু আমার দেশবাসীর চাওয়াই বড়।

ব্যর্থ অভ্যুত্থানের জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী তুরস্কের ধর্মীয় নেতা ফেতুল্লাহ গুলেনকে দায়ী করেন। বলেন, তিনি ও তার সমর্থকরা এ অভ্যুত্থান ঘটানোর চেষ্টা করেছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।