কট্টর ইসলামবিদ্বেষী ডোনাল্ড ট্রাম্প মুসলমানদের সম্বন্ধে যা বলেছিলেন..

মুসলিম বিরোধী বক্তব্য দেয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান দলের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ট্রাম্পের কম সমালোচনা হয়নি দেশে-বিদেশে। কিন্তু তাকে থামানো যায়নি। রিপাবলিকান দলের প্রতিনিধিরা ঠিকই ভোট দিয়ে মুসলিমবিরোধী এই লোকটিকে দেশের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসাবে নির্বাচিত করেছে।। ট্রাম্প এখন আরো বেশি উজ্জীবিত।
তিনি বিশ্বে অশান্তি সৃষ্টির জন্য মুসলমানদের দায়ি করে তাদেরকে মঙ্গলগ্রহে পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “পৃথিবীতে শান্তি ফিরিয়ে আনতে মুসলিম সম্প্রদায়কে মঙ্গল গ্রহে পাঠিয়ে দেওয়া উচিত।” এ ব্যাপারে তিনি একটি শর্তসাপেক্ষে প্রস্তাবও দিয়েছেন বিজ্ঞানী ইলন মাস্ককে।

মাস্ককে তিনি প্রস্তাব দেন, যদি তিনি তাঁর রকেটে করে মুসলিমদের মঙ্গলে পাঠিয়ে দিতে পারেন, তা হলে তাঁকে ট্রান্সপোর্টেশন সেক্রেটারির পদ দেবেন। ট্রাম্পের মতে, এতে যেমন মুসলিমদের উপকার হবে, তেমনই বিশ্বে শান্তির আবহ ফিরে আসবে। তিনি আরও জানান, আমেরিকাকে ধর্ষক মুক্ত করতে এর থেকে ভাল এবং কার্যকরী উপায় হতে পারে না। তবে এখানেই থেমে থাকেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী। মুসলিমদের কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “বিশ্বাস করুন মুসলিমদের আমি ভালবাসি। আর সে কারণেই আমেরিকায় তাদের অনুপস্থিতি আমার হৃদয়কে আনন্দে ভরিয়ে তুলবে।” ট্রাম্পের এই মুসলিম বিরোধী মন্তব্যে ফের সরগরম মার্কিন রাজনীতি।

ট্রাম্পের ঘোরতর এই মুসলিম-বিরোধী মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করে এসেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। দুঽদিন আগেই মার্কিন অভিবাসন নীতিকে তীব্র আক্রমণ করে ট্রাম্প বলেছিলেন, “ভুল অভিবাসন নীতির ফলেই দলে দলে সম্ভাব্য জঙ্গি এসে ঢুকছে আমেরিকায়।” ট্রাম্পের একের পর এক মুসলিম-বিরোধী মন্তব্যে মুখ খুলেছেন আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশও। তিনি বলেন, “আধুনিক মার্কিন ইতিহাসে ট্রাম্প একজন মুসলিম-বিরোধী আইকন।”

প্রেসিডেন্ট হওয়ার দৌড়ে নেমে শুরু থেকেই মুসলিমদের আক্রমণ শুরু করেছিলেন ট্রাম্প। যেমন, গত বছর ডিসেম্বরে সান বার্নাদিনোয় জঙ্গি হামলার পরে ট্রাম্প বলেছিলেন, “পুরো আমেরিকায় মুসলিমদের ঢোকা বন্ধ করে দেওয়া উচিত।” তিনি আরও বলেছিলেন, “যাঁদের কাছে মানুষের জীবনের কোনও মূল্য নেই, যাঁরা শুধুমাত্র জেহাদে বিশ্বাস করে, আমেরিকা এমন লোকেদের আক্রমণের লক্ষ্য হতে পারে না।” সেই শুরু। তার পরে একের পর এক মুসলিম-বিরোধী মন্তব্যে মার্কিন রাজনীতিতে বিতর্কের ঝড় তুলে দিয়েছেন রিপাবলিকানদের এই প্রথম সারির নেতা।

এখন দেখার বিষয় , এই কট্টর মুসলিম বিরোধী প্রেসিডেন্ট আমেরিকা তথা বিশ্বের মুসলিমদের জন্য কি পদক্ষেপ গ্রহন করেন ।

১ টি মন্তব্য:

  • নভেম্বর 9, 2016 at 9:10 অপরাহ্ন
    Permalink

    thi is very bad.

    Reply

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।