মায়ানমার থেকে প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি পিস ইয়াবা আসলেও ১ পিস রোহিঙ্গা আসতে দিবেনা !

মায়ানমার থেকে প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি পিস ইয়াবা আসে (http://bit.ly/2gwBNmr)। ২০১৩ সালের হিসেব মতে এই ইয়াবাগুলো সররাহ করতে সীমান্ত এলাকায় প্রায় ৩৭টি কারাখান স্থাপনা করেছে মিয়ানমান, যার সরাসরি তত্ত্বাবধানে আছে নাসাকাবাহিনী। এই কারাখানারগুলো মালিক হচ্ছে বিভিন্ন বৌদ্ধ সন্ত্রাসীসংগঠনগুলো।(http://bit.ly/2ffXd4O)

একটি হিসেবে মায়ানমার ইয়াবার মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে বছরে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার ব্যবসা করে, যা দেশটির সামরিক বাজেটের প্রায় ৩ তিনগুন। আপনি হয়ত চিন্তা করছেন, কিভাবে মায়নামারকে থামানো যায় রোহিঙ্গা গণহত্যা থেকে ? কোন ব্যাপার না, শুধু মায়ানমার থেকে ইয়াবা আসা বন্ধ করে দিন, দেখবেন মায়ানমার বাপ ডেকে রোহিঙ্গা গণহত্যা বন্ধ করে দিবে।

তবে সরকারের দিকে চেয়ে থেকে লাভ নেই। বাংলাদেশ সরকার ইয়াবা কখনই বন্ধ করবে না। ইয়াবা ব্যবসায়ী এমপি বদির ৩ বছরের কারাদণ্ড হয়, আবার সরকার প্রধানের বিশেষ ফান্ডে ১১০০ কোটি টাকা জমা দিয়ে জামিনও লাভ হয়। মানে বাংলাদেশে কোটি কোটি তরুণকে ইয়াবার মাধ্যমে ধ্বংস করা হচ্ছে খোদ বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ ক্ষমতাবলেই।

তাই রোহিঙ্গা মুসলমানদের জন্য যদি কিছু করতে চান, তবে ইয়াবা আসা বন্ধ করে দিন। মায়ানমান দূতাবাস ঘেরাও না করে ইয়াবা আসার পয়েন্টগুলো ঘেরাও করুন। একটি ইয়াবাও ঢুকতে দিয়েন না। দেখবেন মায়ানমার চোখ বন্ধ করে রোহিঙ্গাদের ঘরে তুলে নিবে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।