কোপাকুপি মানেই ছাত্রলীগ!

সে বিশ্বজিৎ হোক কিংবা সাধারণ শিক্ষার্থী অথবা নিজ দলের প্রতিপক্ষ। বিগত দশ বছরে ছাত্রলীগের আমলনামা দেখে তার সাথে প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নামার কেউ নেই, এদের বিরুদ্ধে আজ পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। যদি না সাধারণ শিক্ষার্থী এবং জনগণ তাঁকে পুলিশে দিতো তাহলে তো পুলিশ তাঁকে খুজেই পেতো না!!

ক’দিন আগেই আরেক ছাত্রলীগ নেতা তার কথিত প্রেমিকার লাশ হাসপাতালে ফেলে পালিয়েছিল তাঁকে পুলিশ আর খুজেই পাচ্ছে না।
আসলে দেশে হচ্ছে কী, কেউ প্রেম করবে না? তাঁকে মেরে ফেলো, তাঁকে ধরে কোপাও!

রিকশাওয়ালা ভাড়া চায়? তাঁকে ধরে গুলি করো! নইলে ধোলাই দাও আর এতে অন্য লোক তো দূরের কথা নিজের দলের লোক হলেও মেরে ফেলো!

রাস্তায় জ্যাম লেগে আছে? গুলি করে দু’চারজন মেরে ফেলো!

নিজের প্রতিদ্বন্দ্বী ? ছাদ থেকে ফেলে দাও, গুলি করো! অথচ আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধান বলছেন আমরা যুক্তরাষ্ট্রের থেকেও তারা করিৎকর্মা।

এই দলীয় পরিচয়ে গুম, খুন, চাঁদাবাজি, ধর্ষণ কবে বন্ধ হবে? ছাত্রলীগের যে কার্যক্রম তাতে স্রেফ সন্ত্রাসী কার্যক্রমের জন্য তাদের নিষিদ্ধ করার দাবী জানাচ্ছি।

জাকারিয়া আলম

2 টি মন্তব্য:

  • অক্টোবর 5, 2016 at 10:27 অপরাহ্ন
    Permalink

    কিছু বলার নাই। আল্লাহ্ আমাদের হেদায়েত দান করুন,অত্যাচারিদের ধংশ করুন,অসহায়দের সহায়তা দান করুন। আমিন।

    Reply
  • অক্টোবর 6, 2016 at 8:33 পূর্বাহ্ন
    Permalink

    চাপাতি দিয়ে যত খুন হয়েছে সব খুনের দায় ভার ছাত্র লীগকেই নিতে হবে,,,,,,

    Reply

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।