মকবুল অাহাম্মদ যুদ্ধাপরাধী হইয়া প্রমাণ ক‌রি‌লেন অা‌গের যুদ্ধাপরাধীরা সবাই নি‌র্দোষ ছি‌লেন।

আমীর হিসাবে শপথ নেওয়ার চারদিনের মাথায় মকবুল আহমাদের ‘যুদ্ধাপরাধ’ অনুসন্ধানের উদ্যোগ নিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল(আইসিটি)।

শপথ নেয়ার পরদিনই এই অনুসন্ধান শুরু করলো আইসিটি।

বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন করেছে বৃটিশ গণমাধ্যম বিবিসি বাংলা।

ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার প্রদান আব্দুল হান্নান খান বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, একটি অনলাইন খবরে জামায়াতের নতুন আমীরের বিরুদ্ধে দুটো সুনির্দিষ্ট অপরাধের ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে এবং তার সত্যতা তারা অনুসন্ধান করবেন।

তিনি আরও জানান, অনুসন্ধানের জন্য গতকাল (বুধবার) একজন কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে।

‘অনুসন্ধানে অভিযোগের সত্যতা বেরিয়ে আসে, যদি যথেষ্ট সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া যায়, তখন মামলা করে তদন্ত করা হবে।’

তবে একইসাথে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার প্রধান বলেন, ‘সে (মকবুল আহমাদ) যে রাজাকার ছিল, সেটা ঐ এলাকার তালিকায় রয়েছে। এটা ঠিক।’

ছয় বছর ভারপ্রাপ্ত আমীর থাকলেও এখন কেন মকুবল আহমাদের বিরুদ্ধে এই অনুসন্ধান? বিবিসির এই প্রশ্নে আব্দুল হান্নান খান বলেন, ‘এতদিন আমাদের কাছে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য উপাত্ত ছিলনা। এখন অন্তত দুটো সুনির্দিষ্ট ঘটনার অভিযোগ করা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, আইনে তাদের এ ধরণের অনুসন্ধান করার অধিকার দেওয়া হয়েছে। ‘কারো মুখে কিছু শুনলেও আমরা তদন্ত করতে পারি।’

ছয় বছর ধরে বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর হিসাবে দায়িত্ব পালন করার পর গত ১৭ অক্টোবর দলের পূর্ণকালীন নেতা হিসাবে শপথ নেন মকবুল আহমাদ।

এদিকে মকবুল আহমাদের ‘যুদ্ধাপরাধ’ অনুসন্ধানের এই উদ্যোগে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে জামায়াতে ইসলামী, যে সংগঠনটি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরোধীতা করেছিল।

মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যায় সহযোগিতার জন্য এরই মধ্যে জামায়াতের ৫ জন শীর্ষ নেতাসহ ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

Nazmul Hasan

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।