ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কাবাঘর বিকৃতি এবং বাদশাহ আবরাহার কাবা ধ্বংস – আমাদের শিক্ষনীয় কি ?

সূরা ফীল। ছোট্ট সূরা। বিশাল সমাধান। কাবার উপরে শিবের মূর্তি বসানো নিয়ে তুলকালাম হয়ে যাচ্ছে। এই কাবাকে ধ্বংস করতে এসেছিল আবরাহা। ক্বাবার রক্ষনাবেক্ষণের দায়িত্ব তখন আব্দুল মুত্তালিবের উপর। আবরাহা প্রথম দিন এসেই উনার অনেকগুলি উট ধরে নিয়ে যায়। তা আব্দুল মুত্তালিব কি করেছিলেন?সোজা আবরাহার কাছে গিয়ে নিজের উট ফেরত চাইলেন। আবরাহা অবাক।এবং বিরক্ত। মহাপরাক্রমশালীদের একটা স্বভাব থাকে,তারা চ্যালেঞ্জ আশা করে। যেটা আব্দুল মুত্তালিবের দিক থেকে আসে নি। তাই আবরাহা খুবি হতাশ হয়ে বললো, আমি তোমাদের ক্বাবা ধ্বংস করতে এসেছি,আর তুমি উট ফেরত চাইছো!

আব্দুল মুত্তালিনের উত্তরটা খেয়াল করেন। খুবি গুরুত্বপূর্ণ।উনি জবাব দিয়েছিলেন, ক্বাবার মালিক আমি নই।আমি শুধু উটের মালিক। তাই উট চাইতে এসেছি। ক্বাবার মালিক ক্বাবাকে হেফাজত করবেন।

কেউ একজন ক্বাবার ছবিকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করছে। কেউ একজন,কোনো দল না। এটা নিয়ে এত উত্তেজিত হবার কি আছে? আমি আপনি ক্বাবার মালিক নই। এই দেশের মালিক। কাজেই দেশের অন্যায় নিয়ে আসেন সোচ্চার হই। ক্বাবার দেখভাল আল্লাহ নিজেই করবেন। কোরআনের দেখভাল ও তিনিই করে আসছেন হাজার বছর ধরে। আমি আপনি না থাকলেও ইসলাম থাকবে। বরং আল্লাহ আমাদের যে মালিকানা দিয়েছেন,সেটার যথার্থ রক্ষণাবেক্ষণ না করলেই আমাদের জবাবদিহীতার সম্মুখীন হতে হবে বেশী। আসেন,নিজের ভেতর শুদ্ধ করি।নিজের পরিবার গড়ি।সমাজ গড়ি। দেশ গড়ি।

তারিক আদনান
যুক্ত্ররাজ্য

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।