হিন্দুদের ভোটের আর দরকার নাই, তাই “মালাউন” গালি দিলেও ক্ষতি নাই

মালাউন ও লীগপন্থি “মৌলবাদের” জন্ম:

আওয়ামীলীগ কি পুরাই মৌলবাদি ও ‘জঙ্গি’ হয়ে গেল নাকি?

সনাতম ধর্মের লোকদের এরা “মালাউন” বলছে কেন? এরা তো লীগের দরকারী ভোট ব্যাংক। নাকি বুঝে গেছে ক্ষমতায় আসতে আর যেহেতু ভোটই দরকার নাই সো ফাও ব্যাংক রেখে কি হবে? সো হিন্দুকে মালাউন কইলে সমস্যা কি?

অথচ আবাক বিষয় হল এদেশের কিছু কিছু হিন্দু বাদে বেশির ভাগ হিন্দু নিজেদের বাংলাদেশের ‘নাগরিক’ হিসেবে পরিচয় না দিয়ে সংখ্যালঘু হিন্দু হিসেবে নিজেদের জাহির করত। এই পরিচয়েই লীগের কাছে নিরাপদ মনে করত নিজেদেরকে। এবং হিন্দুভাবাপন্ন প্রগতিশীল মুসলমানরাও লীগকে বন্ধুপ্রতিম মনে করত, করেন। আজ তাদের এই সাধের সংগঠনের মহান নেতারাই এদের জাত ধরে টানাটানি করছে!

যদিও মালাউন বলে গালি দেওয়ার ভিতর দিয়ে আওয়ামীপন্থি ইসলামিস্ট আবিস্কারের চেষ্টা করা অর্থহীন। এই গালির কোন ধর্মিয় বিধান নাই। এটা একটা কমন সামাজিক গালি আমাদের দেশে। এই গালি দিলেই কেউ অপবিত্র হয়ে যায় না। কাউকে তিরস্কার করার জন্য এই গালি আমাদের সমাজে বেশ চলে অনেক আগে থেকেই। তাই এই গালি খাওয়ার পর গোমুত্র দিয়ে জাত ধুয়ে পবিত্র হওয়ার চেষ্টা করারও দরকার নাই। যেটা দরকার তা হল, গালিবাজ নেতা ও রাজনীতির অবসান ঘটানোর চেষ্টা করা যে দলই হোক তা।

এইটা আমাদের দেশে বেশ চলনসই গালি। এতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এত দিনেও নষ্ট হয় নাই বাংলাদেশে। উভয়পক্ষ কাইজ্জার সময় এইটাইপের কিছু গালি ব্যবহার করে। এইটারে তথাকথিত বুদ্ধিজীবিরা একটা সম্প্রদায়গত ইসু্য বানানোর চেষ্টা করতেছে। মুসলমানদের যবন বা গরুখোর বলে গালি দিলে তখন কোন হাওকাও নাই। সব এনজিওবাজদের ধান্ধা। তাই এই ক্ষমতার অবৈধতা নিয়ে প্রশ্ন না তুলে অর্নিবাচিত মন্ত্রির গালি নিয়ে যেই সব বিরানীখোরের চেতনা নতুন করে জেগে উঠেছে এরা ননপলিটিক্যাল ও কেওয়াটিক। এরা হিন্দুদরদী সেজে হিন্দুদের সম্পতি ও কন্যাদের ভোগ করার জন্য সুযোগ পেলেই হামলে পড়বে। এদের চিল্লা-চিল্লিটা জাস্ট শব্দদূষণ। মজার বিষয় হল, এরাই আবার পরিবেশবাদী আন্দোলন করে।

Rezaul karim rony
jobanbd

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।