মিয়ানমারে গনহত্যার প্রতিবাদ করলেই সুশীলরা জঙ্গি জঙ্গি জিকির তুলবে !

নিরবতা বজায় রাখুন….

বৌদ্ধদের রাষ্ট্রীয় ও সংঘবন্ধ সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আজ কোন কথা নাই। এই আং সান সুচীরে নিয়ে কত লাফালাফি দেখেছি আমাদের সুশীলদের মধ্যেও। অং সান সূচি শান্তির পায়রা থেকে ফ্রাংকেনষ্টাইন হইল। নিরিহ মানুষ প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশ সীমান্তে আসার সাথে সাথে বিজিবি তাঁদের পুশব্যাক করে দিচ্ছে। নিবি‍র্চার গণহত্যা শুরু হয়েছে মিয়ানমারে। কিন্তু দেখবেন, যদি মুসলমানরা প্রতিরোধ গড়ে তুলে সাথে সাথে শুরু হবে জঙ্গি জঙ্গি জিকির। তবে নিশ্চিত থাকেন এই লাশের উতসবে যারা মেতে আছেন তাদের ভাগ্যেও একই পরিণতি বা এরচেয়ে করুণ পরিণতি অপেক্ষা করছে। অলরেডি কিছু গেরিলা বাহিনী তৈরি হওয়ার খবর দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। তাই এরা মুসলমানদের চিরতরে খতম করে দিতে চায়। এটা করতে গিয়ে মুসলিম কমিউনিটিকে আরও রেডিক্যাল করতে ওরা সাহায্য করছে, ইতিমধ্যে সেখানে সক্রিয় মুজাহিদের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। কিছু দিন আগে ২০ জন সেনাকে হত্যা করা হয়েছে। সেইসব ভিডিও মিডিয়াতে আসাতেই মিয়ানমার সেনারা অতি ভয়ে জঙ্গিকায়দায় ব্যাপক গণহত্যায় নেমেছে আর নিজেদের জন্য মৃত্যু ফাঁদ মজবুত করছে।

এইভাবেই একটা কমিউনিটির লিবারেল থাকার সম্ভবনা বিনাশ হয়। সে বাধ্য হয় রেডিক্যাল হইতে। রেডিক্যাল আদর্শ ধারণ করা তখন অবধারিত হয়ে ওঠে। খালি খালি মরার চেয়ে মাইরা মরা নিশ্চই বেটার…?

মিয়ানমারে আজ হোক কাল হোক কঠিন মাইর হবে -এটা বলাই যায়। সুশীলরা তখন যেন চুপ থাকেন এটাই চাই। আর কোন দাবি নাই। সো নিরবতা বজায় রাখুন….

Rezaul Karim Rony

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।