মন্দিরে আগুন দিলে তোলপাড়, মসজিদ হলে চুপচাপ!

মাত্র কয়েক বছরে পুরা জাতি এইভাবে পাল্টে গেছে তা ভাবতে অবাক লাগছে! এই তো গতকাল হবিগঞ্জে ৩টি মসজিদে আগুন দেয়ারর খবর আমাদের মূল মিডিয়াগুলোতে খোঁজে পাওয়া মুশকিল!!
.
আচ্ছা,মসজীদ না হয়ে যদি মন্দি/ গির্জায় আগুন দেয়া হত তাহলে কি একইভাবে নিশ্চুপ থাকতো? ভাবটা, এমন মন্দির নিয়ে বুকফাঁটা কান্নাকাটি করলে সুশীল-বুদ্বিজীবি অসম্প্রদায়িক! আর মসজীদে আগুন নিয়ে প্রতিবাদ মানে ধর্মান্ধ,মৌলাবাদী। কী অদ্ভুত একচোকা নীতি!!!
.
নাসির নগরে মন্দিরে আক্রমণ,মূর্তিভাংচুর নিয়ে দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিদেশেও কাঁপন তুলেছে। তা পজেটিভ। কারণ, মুসলীম সংখ্যাঘরিষ্ট দেশে বিধর্মীদের যানমাল আমানত। তাদের নিরপত্তা দেয়া আমাদের দায়িত্ব। কিন্তু অসম্প্রদায়িকতার ফেরিওয়ালারা সংখ্যালঘু কার্ড শৌ করে ধান্ধা করে মাত্র। আসলে তারা কোন ধর্মেরই আপন নয়।
.
ভাবতে সত্যি অবাক লাগে, বাংলাদেশী মুসলীমেরা যেন নিজ ঘরে প্রবাসী! শিক্ষক আবুল কালামকে হত্যার জন্য প্রতিবাদ করার কেউ নাই কিন্তু শ্যামলল কান্তিদের জন্য কান ধরা গ্রুপের অভাব নাই।

kutub shah

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।