পুলিশ এখন দক্ষ ও জনবান্ধব – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মাত্র দুইজন শিক্ষককে সফল ভাবে পিটায়া মারা পরে এই মহাত্বের স্বীকৃতি মিলল অবশেষে। অন্য অনেকের মতো বাংলাদেশের শিক্ষক সম্প্রদায়ও এই জাতীর হীন চরিত্রের চিহ্ন বহন করেন। হাজার হাজার নাগরিক মাইরাফালানো হচ্ছে উন্নয়নের স্বার্থে। গুম চলছেই। আর ফুলবাড়িরর একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নিয়ে কত কথা চার দিকে। শিক্ষকরে কান ধরাইলে শাহবাগি প্রজন্ম আমি যাদের শাহবাগের পরাজিত শক্তি বলি তারা কানে ধরে, তো এখন শিক্ষকে মাইরা ফেলাইছে আন্দোলনের রীতি মুতাবেক এরাও কি মইরা যাবে?

আদর্শ শিক্ষক জিনিসটা কল্পনাতে সুন্দর। এই সরকারের আমলে সবই চেতনার ফিল্টারে যাচাইকৃত।

ফিল্টারের বাইরে কোন কথা কইলেই….আপনার বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হবে। কে না জানে তথাকথিত শিক্ষিতরা সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষকরা এই হত্যার লীলায় বেশ গৌরবের সাথে সায় দিছিল শুরু থেকে। সব শিক্ষকের কথা বলছি না। যারা এটাতে সায় দেয় নাই তারা আমার প্রিয় ‘রাজাকার’ শিক্ষক সম্প্রদায়। যদিও তাঁদের সংখ্যা কম। যা হোক যা কইতেছি…

নিজেদের ক্ষুদ্র পেশা স্বার্থের বাইরে বাংলাদেশের মানুষ এখনও নাগরিক হয়ে উঠতে পারে নাই। আপনি যদি সব নাগরিকের মর্যাদা ও প্রাণের অধিকার নিয়ে সোচ্চার হতেন। প্রতিবাদি হতেন -তাইলে আপনার হয়তো লাশ হইতে হইত না। অন্য লাশ আর শিক্ষকের লাশ- মাটির কাছে সবই সমান। স্বজনের কাছে সবই কঠিন মুসিবত। কাজেই লোভের চক্রে মজে সকারের সন্ত্রাসকে সমর্থ করে পেশা শুধু নয় জিবনের কলঙ্ক বাড়ানো থেকে বিরত থাকুন।

পুলিশের মহত্ব নিয়ে শিক্ষক(চেতনা) সমিতির পক্ষ থেকে সেমিনার করে এই সময়টা পার করতে পারেন উন্নয়নের পক্ষের শক্তি ওলারা। বাকিদের জন্য শোক। একটি রাষ্ট্র দিন দিন চোখের সামনে মরতেছে আর ক্ষমতাসীনরা ১৮ কোটি মানুষের সাথে অশ্লীল কৌতুক করে চলেছে, এই কৌতুক দেখে তো শোকই জাগে নাকি….?

Rezaul Karim Rony

১ টি মন্তব্য:

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।