শিশুদের ওড়না চেনানোর ইজারা পাঠ্যপুস্তক বোর্ডকে দেয়া হ​য়নি – সাদিয়া নাসরিন

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) পাঠ্যপুস্তক রচনা ও সম্পাদনায় যে সব পুরুষ এবং নারীরা আছেন তাদের জেন্ডার সংবেদনশীলতা খুব নিম্নস্তরে। কিন্তু সেই নিম্নেরও যে একেবারে তলদেশ আছে, এবং তারা সেই তলদেশে পড়ে গেছেন তার প্রমাণ পাওয়া গেল এবছরের পাঠ্যপুস্তকে। প্রথম শ্রেণির বাংলা পাঠ্যবইয়ে পাঠ ১২-তে ‘ও’ অক্ষর চেনানোর উপকরণ হিসেবে ‘ওড়না’কে ব্যবহার করা হয়েছে। মেয়ে শিশুর ছবি দিয়ে লেখা হয়েছে- ‘ওড়না চাই’। এর আগে ও আমরা বোর্ডের দ্বাদশ শ্রেণির ‘পৌরনীতি ও নৈতিক শিক্ষা’ দ্বিতীয় পত্রের পাঠ্য বই ও গাইড বই দশম অধ্যায়ে দেখেছি ইভ টিজিংয়ের কারণ হিসেবে মেয়েদের ‘অশালীন পোশাক ও বেপরোয়া চালচলন’ এর কথা লেখা হয়েছে। এবার মায়ের পেট থেকে পড়ার সাথে সাথেই আমাদের শিশুদের ওড়না চেনানো বাধ্যতামূলক করার ইজারাটা এনসিটিবিকে দেওয়া হয়েছে!

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।