নাসিরনগর আওয়ামীলীগের স্থানীয় দুই অংশের ক্ষমতার লড়াইয়ের শিকার হয়েছেন এটি পরিষ্কার

নাসিরনগরের আক্রান্ত হিন্দু জনগোষ্ঠী শাসক দল আওয়ামীলীগের স্থানীয় দুই অংশের ক্ষমতার লড়াইয়ের শিকার হয়েছেন এটি পরিষ্কার। এই নৃশংস সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের পরিকল্পনা, হামলা করা ও হামলার পর মূল অপরাধীদের আড়াল করে ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার সবরকম চেষ্টাই করেছে তারা।

সেখানকার জনপ্রতিনিধি আক্রান্ত মানুষদের রক্ষার কোনো চেষ্টা করেনি, বরং পালিয়ে যেতে বলেছিল।! পালিয়ে যেতে বলার কারণ সম্ভবত এরা চলে গেলে যাতে ফেলে যাওয়া সম্পত্তির দখল নিতে পারে।

দায়িত্ব পালনে চূড়ান্ত ব্যর্থতা আর গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে অসদাচরণের পরও বহাল তবিয়তে আছে নাসিরনগরের ইউএনও। এমনকি হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের ‘মালাউনের বাচ্চা’ বলা সন্ত্রাসী ছায়েদুলের মন্ত্রীত্ব এখনও যায়নি! কাজেই হিন্দু নির্যাতন ও বিতাড়নে সরকার যে ঢালাও মদদ দিচ্ছে, সেটি বুঝতে খুব বুদ্ধিমান হবার প্রয়োজন নেই। এক অংশ টেবিলে বসে ছক আঁকছে, আরেক অংশ সেটি বাস্তবায়ন করছে। অথচ এই শাসক দল নাকি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী, এই দল নাকি অসাম্প্রদায়িক!
আওয়ামীলীগের স্থানীয় দুই পক্ষই স্বীকার করে নিয়েছে রসরাজ নির্দোষ, তারপরও হয়তো রসরাজকে নিয়ে আরেকটি জজ মিয়া নাটক তৈরির চেষ্টা চলবে। আমি কেবল স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, পৃথিবীর সবচেয়ে নিপীড়ক শাসকগোষ্ঠীরও পতন হয়েছিল। যে যত বড় নিপীড়ক ছিল, তার পতন হয়েছে তত ভয়াবহ। ইতিহাস কাউকেই ক্ষমা করে না। জনতার আদালতে চিরকালই ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

ফেসবুক থেকে

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।