হবিগঞ্জে কোন গোষ্ঠী যে পাগলকে দিয়ে আগুন দেয়ায়নি তার নিশ্চ​য়তা কতটুকু ?

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার তিনটি মসজিদে আগুন দিয়ে কোরআন শরীফ ও কিতাব পোড়ানোর ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়াও ধানের খড়ে আগুন লাগানো হয়েছে অন্য একটি স্থানে। রোববার বিকালে এই ঘটনা ঘটে।

ধারণা করা হচ্ছে- নাসিরনগরের ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এ ঘটনা হতে পারে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার বিকালে হবিগঞ্জ-শায়েস্তাগঞ্জ সড়কের পাশে পশ্চিম ভাদৈ জামে মসজিদ, ভাদৈ জামে মসজিদ, ধুলিয়াখাল আমতলী মসজিদ ও জগৎপুরে একটি খড়ের স্তূপে আগুন লাগায় কে বা কারা। আগুনে পশ্চিম ভাদৈ মসজিদের ৫০/৬০টি কোরআন শরীফ ও ৭টি কিতাব পোড়ানো হয়। ওই মসজিদের মুসল্লি এনামুল হক জানান, পরিকল্পিতভাবে এই আগুন লাগানো হয়েছে। কোনো দাহ্য পদার্থ দিয়ে আগুন লাগানোতে মুহূর্তের মাঝেই কোরআন শরীফ ও কিতাবগুলা পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

গোপায়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আকতার হোসেন জানান, হবিগঞ্জ-শায়েস্তাগঞ্জ সড়কের পাশের মসজিদে প্রায় একই সময়ে এই ঘটনা ঘটে। এটি দুঃখজনক ঘটনা। হবিগঞ্জ সদর থানার ওসি ইয়াছিনুল হক জানান, যেহেতু মসজিদ ও খরের স্তূপে এই ঘটনা তাতে করে এটিকে নাশকতা বলা যাচ্ছে না। এক সপ্তাহ পূর্বে ভাদৈ মসজিদে এক পাগল কোরাআন শরীফের পাতা ছিঁড়ে ফেললে জনতা তাকে আটক করেছিল। পরে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।

জনমনে প্রশ্ন উঠেছে, কোন গোষ্ঠী যে পাগলকে দিয়ে আগুন দেয়ায়নি তার নিশ্চ​য়তা কতটুকু ?

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।