ফুটবলে দৈন্যদশা বাংলাদেশের! কারণটা কি?

এশিয়ার কাপ ফুটবলে ভূটানের কাছে হেরে আগামী প্রায় তিন বছর আন্তর্জাতিক ফুটবল খেলার সুযোগ হারিয়ে বসার পর বাংলাদেশের ফুটবল জগতে এখন একটা আত্মানুসন্ধান শুরু হয়েছে। নানা জন নানা ভাবে বিশ্লেষণ করছেন, কেন এমন হলো ? অনেকে বলছেন, বাংলাদেশে জাতীয় পর্যায়ে এবং ক্লাব পর্যায়েও তরুণ প্রতিভা গড়ে তোলার মতো উপযুক্ত ফুটবল কাঠামো বা আধুনিক একাডেমি নেই – যা ভূটানের মতো দেশও গড়ে তুলেছে। অনেকে আবার বলছেন, বাংলাদেশের ক্লাবগুলোতে এত বিদেশী খেলোয়াড় খেলে যে তাদের কারণে স্থানীয় প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা প্রথম একাদশে খেলার সুযোগ পায় না।

বাংলাদেশের নিয়ম অনুযায়ী এতটি ক্লাব ছয় জন বিদেশী খেলোয়াড় নিতে পারে এবং এগারো জনের দলে সর্বোচ্চ তিন জনকে খেলাতে পারে। কিন্তু এই বিদেশী খেলোয়াড়রা কি সত্যি স্থানীয় খেলোয়াড়দের আত্মপ্রকাশের পথে বাধা? বাংলাদেশের ফুটবলে শুরু হয়েছে আত্মানুসন্ধান। এ নিয়ে কথা বলেছেন চট্টগ্রাম আবাহনীতে খেলেন এমন একজন বিদেশী খেলোয়াড় তারেক জানাবি। তার মতে বিদেশী খেলোয়াড়রা বাংলাদেশের ফুটবলের বিকাশের পথে কোন বাধা নয়।

“পৃথিবীর বহু দেশে সব ক্লাবেই বিদেশী খেলোয়াড় আছে। ইউরোপে তো বটেই, এমনকি মালয়েশিয়া বা থাইল্যান্ড , মরক্কো, আমিরাত এসব দেশের ক্লাবেও বিদেশী খেলোয়াড় আছে। কিন্তু তাদের ফুটবল তো উন্নতি করছে। “কিন্তু এসব দেশ যে বিদেশী খেলোয়াড়দের আনছে – তারা অনেক উন্নত মানের খেলোয়াড়। কিন্তু বাংলাদেশে অনেক সময়ই বিদেশী খেলোয়াড়রাও খুব ভালো মানের নয়। কিন্তু ক্লাবগুলো তাদের খেলাতে বাধ্য হয়, কারণ যেহেতু তাদের কিনে আনা হয়েছে। আমার মনে হয় সমস্যাটা সেখানেই ।

বরং বাংলাদেশে অনেক স্থানীয় খেলোয়াড়ও আছে, যারা বিদেশীদের চাইতে বেশি অর্থ পায় ” – বলেন তারেক জানাবি। এ বিষয়ে এবারের মাঠে ময়দানেতে আরো কথা বলেছেন বাংলাদেশের জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক কোচ এ কে এম মারুফুল হক। তার মতে, বিদেশী খেলোয়াড়রা নয়, বরং উপযুক্ত ফুটবল কাঠামোর অনুপস্থিতি এবং আধুনিক প্রশিক্ষণের সুবিধাসম্বলিত একাডেমির অভাবই বাংলাাদেশের ফুটবলের পিছিয়ে পড়ার আসল কারণ।

এরকম একাডেমি ক্লাবগুলোরই করার কথা ছিল, কিন্তু তারা তা করে নি, পেশাদার ফুটবল চালু হবার পর বেশ কয়েক বছর পার হলেও – বলেন মারুফুল হক।
তিনি বলছিলেন, বিদেশী খেলোয়াড়দের উপস্থিতিকে এককভাবে দোষারোপ করা চলে না, বরং জাতীয় ও ক্লাব স্তরে তরুণ খেলোয়াড়দের তৈরি করার কাঠামোর অভাবটাই সবচেয়ে বড় কারণ। বিবিসি বাংলা।

১ টি মন্তব্য:

  • নভেম্বর 3, 2016 at 10:19 পূর্বাহ্ন
    Permalink

    jey porjonto bivagio sohorey purno domey Jodi football khela chalu na hobey toto din football er man unnoyon hobey na eai jonno bivagio sohorey Bangladesh football federation er baget dewa uchit bidesh football trainer er ekhon projon nai 5 bosor bivagio football chalan dekhen unnoti obsso e hobey

    Reply

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।