কমিটিতে জায়গা হল না, আট মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর

সম্মেলনের ছয় দিন পরে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের নতুন প্রায় পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত তিন দফায় ৮১ সদস্যের কমিটির মধ্যে ৭৪ সদস্যের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

বাকি সাতটি পদ এখনও ফাঁকা রয়েছে। শনিবার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সর্বশেষ দফায় কমিটির বাকি পদগুলো ঘোষণা করা হয়। এর আগে ২৩ অক্টোবর ২১ জন ও ২৫ অক্টোবর ২২ জন নেতার নাম ঘোষণা করা হয়।

সর্বশেষ দফায় নাম ঘোষণার পরে দেখা যায়, চার মন্ত্রী ও চার প্রতিমন্ত্রীর জায়গা হয়নি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদে। এরা হলেন, পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল। তিনি ছিলেন গত কমিটির অর্থ ও পরিকল্পনা সম্পাদক। তার জায়গায় এ পদে আনা হয়েছে গত কমিটির সদস্য টিপু মুন্সিকে।

সর্বশেষ কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। তিনি ছিলেন গত কমিটির সংস্কৃতি সম্পাদক। তার পদে এবার জায়গা পেয়েছেন গত কমিটির উপপ্রচার সম্পাদক অসীম কুমার উকিল।

দলীয় কমিটি থেকে বাদ পড়া আরেক মন্ত্রী হচ্ছেন ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান। তিনি গত কমিটির সদস্য ছিলেন। এবার ২৮টি সদস্য পদের সবগুলোই পুরণ করা হয়েছে। সেখানে তার স্থান হয়নি।

কার্যনির্বাহী কমিটিতে জায়গা হারিয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমানও। তিনি গত কমিটিতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক ছিলেন। এ পদটি অবশ্য এখনও ফাঁকা রাখা হয়েছে। তবে তাকে কার্যনির্বাহী সংসদের কোনও পদে রাখা না হলেও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদে নেওয়া হয়েছে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর আওয়ামী লীগের গত কমিটিতে চট্টগ্রাম বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে নতুন কমিটিতে এখন পর্যন্ত কোনও পদেই দেখা যায়নি তার নাম।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, জুনাইদ আহমেদ পলক, অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান—প্রত্যেকে গত কমিটিতে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ছিলেন। কিন্তু, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের নির্ধারিত ২৮টি পদের কোনওটিতেই এবার তাদের নাম দেখা যায়নি।

কার্যনির্বাহী কমিটিতে জায়গা হারিয়েছেন সংসদে ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বি মিয়াও। তিনি গত কমিটির সদস্য ছিলেন। তাকেও রাখা হয়নি দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদে।

তবে এখনও তিনটি সম্পাদকীয়, একটি উপসম্পাদকীয় ও তিনটি সভাপতিমণ্ডলীর পদ ফাঁকা রাখা হয়েছে। এগুলোর কোনওটিতে এসব মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর কেউ জায়গা পান কিনা সেটা দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন অনেকেই।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।