অবশেষে প্রধানমন্ত্রীও স্বীকার করলেন , মন্দির ভাংচুর আওয়ামিলীগের দুই নেতার দ্বন্দ্বের ফসল !

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দুই নেতার দ্বন্দ্বের নিরসন হলে নাসিরনগরের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারত না বলে মনে করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ক্ষেত্রে তিনি জেলা সভাপতি র আ ম ওবায়দুল মুক্তাদিরের বাড়াবাড়ি দেখছেন বলে তার প্রতি ক্ষুব্ধ।

বুধবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে লবিতে কয়েকজন নেতার সঙ্গে আলাপচারিতায় প্রধানমন্ত্রী তার এই ক্ষোভের কথা জানান বলে সেখানে উপস্থিত একজন নেতা নিশ্চিত করেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই নেতা বলেন, বৈঠকস্থল থেকে বের হয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতি গণভবনের লবিতে নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। সেখানে তিনি নাসিরনগরের হামলার প্রসঙ্গটিও আনেন
untitled-1

দুই নেতার নাম সরাসরি না বললেও তারা যে ওবায়দুল মুক্তাদির চৌধুরী আর প্রাণিসম্পদমন্ত্রী ছায়েদুল হক তা প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য থেকে বোঝা যায় বলে জানান ওই নেতা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দুই নেতার দ্বন্দ্বের কারণে ওই ঘটনা ঘটতে পেরেছে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, যদি এ দ্বন্দ্ব মীমাংসা করা যেত, তাহলে এ ঘটনা ঘটতে পারত না। এটা অনভিপ্রেত।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি র আ ম ওবায়দুল মুক্তাদির চৌধুরী বাড়াবাড়ি করছেন এমন অভিমত দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তাকে জেলার সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। সে ওখানে গ্রুপিং করছে। তাকে আবার আমরা সেন্ট্রাল কমিটিতে রেখেছি। সে যেভাবে বাড়াবাড়ি করেছে, তাকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে রাখব না।’

বুধবারের বৈঠকে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটির নতুন সাংগঠনিক সম্পাদকদের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে।
বিভাগীয় সম্পাদকদের সহযোগিতা করার জন্য সহসম্পাদক নিয়োগের ব্যাপারেও বৈঠকে আলোচনা হয়। সহসম্পাদক হিসেবে তাদের নিয়োগ করা হবে, যারা সংশ্লিষ্ট বিভাগের বিশেষজ্ঞ।

বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত হয়, আওয়ামী লীগের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ গ্রুপ সব ধরনের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে।

ঢাকাটাইমস

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।