একজন হিন্দু ভাইকেও দেখিনি মসজিদ- কোর​আন পোড়ানোর ঘটনায় নিন্দা জানাতে !

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মন্দির ভাংচুর হলো। একথা সত্যি যে রাজনৈতিক কারনেই হোক আর যেকারনেই হোক, মুসলমানরাই মন্দির/দেবতা ভাংছে।

আমার বন্ধুতালিকার হাতেগোনা কয়েকজন হিন্দু ফ্রেন্ডকে দেখেছি, যারা ফেবুতে স্ট্যাটাস দিয়ে সেই ঘটনার প্রতিবাদ জানায় নাই। আমি সবসময়ই সেইসকল হিন্দু বা অন্যধর্মাবলম্বী ভাইদের ভালোবাসি, যারা নিজেদের ধর্মকে ভালোবাসে। নিজেদের ধর্ম/ধর্মীয় প্রতিষ্টানের ওপর আঘাত এলে তারা সাধ্যমত প্রতিবাদের চেষ্টা করে 🙂

একই সাথে বেশিরভাগ মুসলমান বন্ধুও স্ট্যাটাস দিয়ে মন্দির ভাংগার নিন্দা জানায়। সেই একই কথা ‘ ইসলাম ধর্মে কোথায় আছে যে অন্য ধর্মের উপাসনালয় ভাংতে হবে? ‘। আমি সেইসকল মুসলিম ভাই-বোনদেরকেও ভালোবাসি যারা অন্য ধর্ম বা ধর্মীয় উপাসনালয়ের মর্যাদা রক্ষায় সোচ্চার। একজন আদর্শ মুসলিমের অনেক গুণাবলীর মধ্যে এটাও একটা গুন। 🙂

এবার আসি মসজিদ-কোরআন পোড়ানোর ঘটনায়। কে পোড়াইছে সেটা বিতর্কের বিষয়। সেটা বাদ দিলেও সেইসব আদর্শ মুসলিমদের অনেকেই এবার নীরব। পাছে আবার লোকে কি বলে! বন্ধুরা কি বলে!

সবচেয়ে যেটা চোখে পড়েছে, একজন হিন্দু ভাইকেও দেখিনি স্ট্যাটাস দিয়ে মসজিদ-কোরআন পোড়ানোর নিন্দা জানাতে!!

মনের ভেতরে কি আছে সেটা অন্য বিষয়। বাহ্যিকভাবে যা দেখলাম, তাতে কি আমি গড়ে তাদের এই মনোভাবকে সাম্প্রদায়িক মনোভাব বলতে পারি??

এনামুল হক মনি
পিএইচডি গবেষক
কোরিয়া

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।