সেপ্টেম্বরে যাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল, ডিসেম্বরে সে জঙ্গি হিসেবে আত্মসমর্পন করেছে!

সরকারপন্থি মিডিয়া গুলো বলছে অভিযানে জঙ্গিনেতা জাহিদের স্ত্রীসহ ৪ জন আত্মসমর্পণ করেছেন । ভারতপন্থি বিডিনিউজ২৪ লিখেছে

ঢাকার দক্ষিণখানের আশকোনায় অভিযান শুরুর পর আস্তানা থেকে বেরিয়ে এসে পুলিশের কাছে ধরা দিয়েছেন নব‌্য জেএমবির অন‌্যতম শীর্ষনেতা সাবেক মেজর জাহিদুল ইসলামের স্ত্রী জেবুন্নাহার।

শনিবার ভোররাতে সূর্যভিলা নামে তিন তলা ওই বাড়িটি ঘিরে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট অভিযান শুরুর পর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জেবুন্নাহারসহ চারজন বেরিয়ে আসেন।

মজার ব্যাপার হচ্ছে এই জঙ্গি নেতা জাহিদের স্ত্রী জেবুন্নেসা তিন মাস আগেই পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলো ।

জঙ্গি করিম নিহত, জাহিদের স্ত্রীসহ তিন নারী গ্রেফতার
শিরোনামে ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৬ বাংলাদেশ প্রতিদিন লিখেছে,

রাজধানীর লালবাগে আরেক জঙ্গি আস্তানার সন্ধান পেয়ে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। গত রাত পৌনে ৮টার দিকে আজিমপুর বিজিবি ২ নম্বর গেটের পাশের একটি বাড়ির দ্বিতীয় তলার ওই আস্তানায় অভিযান চালাতে গেলে জঙ্গিদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়।

এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন গুলশানের হলি আর্টিজানে হামলার আরেক সন্দেহভাজন জঙ্গি আবদুল করিম। ওই আস্তানা থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গ্রেফতার করা হয়েছে তিন নারী জঙ্গিকে। পাশাপাশি উদ্ধার করা হয়েছে তিনটি শিশুকে। এদের মধ্যে মিরপুরের রূপনগরে নিহত জঙ্গি প্রশিক্ষক মেজর জাহিদের স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছেন।

মেজর জাহিদের স্ত্রী : আজিমপুরে জঙ্গি আস্তানায় অভিযানে ‘মেজর’ জাহিদের স্ত্রীসহ তিন নারী জঙ্গিকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পুলিশের গুলিতে আহত এই তিন নারী জঙ্গির মধ্যে একজন হলেন মিরপুরের রূপনগরে পুলিশের অভিযানে নিহত মেজর জাহিদুল ইসলামের স্ত্রী জেবুন্নাহার শিলা। ওই বাসা থেকে মেজর জাহিদের দুই শিশু সন্তান জুনায়েরা (৬) ও মারিয়াম (১)-কেও উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাদের একজনকে নারী পুলিশ কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে। এলাকার বাসিন্দা প্রত্যক্ষদর্শী হাবিবুর রহমান বলেন, ‘গোলাগুলির একপর্যায়ে সালোয়ার-কামিজ পরা নারীকে ছুরি হাতে দৌড়াতে দেখি। এ সময় পুলিশ ফাঁকা গুলি করে। একই সময় আহত এক পুলিশ সদস্য চিৎকার করে ঘটনাস্থলে আরও পুলিশ সদস্য পাঠাতে বলেন। তখন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক নারী সদস্যকে পুলিশ আটক করে। ’ অভিযান পরিচালনাকারী পুলিশ সদস্যরা জানান, বাড়ির দরজায় নক করলে দরজা খুলে দুই নারী তাদের লক্ষ্য করে মরিচের গুঁড়া ছোড়েন।

১ টি মন্তব্য:

  • ডিসেম্বর 25, 2016 at 5:20 পূর্বাহ্ন
    Permalink

    আমার মনেহয় শুধুমাত্র ভারত বিরুধীতা,ও বর্তমাণ সরকারের বিরুদ্ধতার জন্য সরকার এ সমস্ত আর্মি অফিসারদের স্ব পরিবারে হত্যা করে,তাদের ঘৃনিত করে অন্য আফিসাদের ও সর্তক করছেভারতের গোয়েন্দা দরা সরকারের সহযোগী হয়ে এসব করছে,হত্যাকরা হচ্ছে বহু কষ্টে গড়েতোলা এসব আফিসারদের,প্রথমেই পিলখানায় দেশপ্রেমী যোগ্য আফিসারদের হত্যা করা হয়েছিল

    Reply

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।