ইংল্যান্ডের টার্গেট ২৭৩

মধ্যাহ্নের আগে তিন অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান সাকিব আল হাসান, অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম ও সাব্বিরকে হারিয়ে বড় লিড সংগ্রহ থেকে কার্যত ছিটকে পড়েছে টাইগার বাহিনী।

৮ বলের মধ্যে দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান সাকিব আল হাসান ও অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমকে হারিয়েছে। এরপর ক্রিজে থাকা স্বীকৃত ব্যাটসম্যান সাব্বিরও ব্যক্তিগত ১৫ রানে আদিল রশিদের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরে গেছেন। এরপরই শুরু মধ্যাহ্ন বিরতি।

বিরতির আগ পর্যন্ত দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ২৬৮। লিড ২৪৪ রানের। উইকেটে শুভাগত হোম (১৫)।

তখন ২১৪ রানেরই লিড বাংলাদেশের। সাকিব দাঁড়িয়ে ৪১ রানে। ফিফটিটা হাতছানি দিয়ে ডাকছে সাকিবকে। কিন্তু তখনই জাফর আনসারির জায়গায় বল করতে এলেন আদিল রশিদ। টার্নিং এক বলে আদিলই সাকিবের বুক ভাঙলেন। বোল্ড হয়ে ফিরলেন সাকিব।

তৃতীয় দিনের সকালের সেশনের শেষদিকে এসে দ্বিতীয় উইকেট পড়ল স্বাগতিকদের। ২৩৮ রানে। আর ওই একই রানে বেন স্টোকসের বাড়তি বাউন্সের বলটা অযথা স্লিপে ঠেলে দিয়ে ফিরেছেন মুশফিক। ক্যারিয়ারের ৫০তম টেস্টের ব্যাটিং তিনি শেষ করলেন ৪ ও ৯ রানের ইনিংস খেলে।
ইমরুল কায়েস ৫৯ রানে দিন শুরু করেছিলেন। মাহমুদ উল্লাহ আগের দিনের শেষ বলে যে পাগলামিতে আউট তাতে সকালের শুরুতে নতুন ব্যাটসম্যান সাকিব। এই দুজন চমৎকার এগিয়ে নিচ্ছিলেন দলকে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ ও প্রথম ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি করেছিলেন ইমরুল।

মনে হলো মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়াম সেদিকেই যাচ্ছেন ওপেনার। দলের দ্বিতীয় ইনিংসের সংগ্রহ ৩ উইকেটেই ২০০ হলো। কিন্তু ওখানেই বিপত্তি। মঈন আলির নিচু হয়ে যাওয়া বলটা মিস করে ব্যক্তিগত ৭৮ রানে এলবিডাব্লিউ হয়ে ফেরেন ইমরুল। সাকিব অবশ্য ব্যক্তিগত ২৩ রানে একটা লাইফ পেয়েছিলেন বেন ডাকেট সহজ ক্যাচ ছাড়ায়। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বেশিদূর যাওয়া হলো না তার।

সকালটা বাংলাদেশ শুরু করেছিল ৩ উইকেটে ১৫২ রান নিয়ে। ১২৮ রানের লিডে। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ২২০ রানে অল আউট হয়েছিল। ইংলিশরা প্রথম ইনিংসে করে ২৪৪। ২৪ রানের লিড ছিল তাদের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।