টি-টোয়েন্টি আমার খেলা : সাব্বির

২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি দিয়ে বাংলাদেশ দলে অভিষেক হয় সাব্বির রহমানের। বাংলাদেশের একমাত্র টি-টোয়েন্টি স্পেশালিস্টও বলা হয় তাকে। এরপর ক্রমে পরিণত হয়ে ওয়ানডে দলেও জায়গা পাকাপোক্ত করে ফেলেছেন তিনি। এমনকি সর্বশেষ টেস্ট সিরিজেও দলে জায়গা করে নেন তিনি। তবে যে সংস্করণেই খেলেন না কেন, টি-টোয়েন্টিকেই নিজের সংস্করণ বলে দাবি করলেন সাব্বির রহমান।

রোববার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে সাব্বির বলেন, ‘টি-টোয়েন্টি সব সময় আমারই ম্যাচ, আমারিই খেলা। আমি সব সময় বিশ্বাস করি- টি-টোয়েন্টি খেলেই আমি জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছি। ওখান থেকেই আমি টেস্ট দলে সুযোগ পেয়েছি। আমি বিশ্বাস করি, এটা আমারই সংস্করণ। এজন্য আমি বিশ্বাস করি আজ না হলে কাল, কাল না হলে একদিন আমি বড় স্কোর গড়বোই। আজকে আমি ৬১ বলে ১২২ রান করে রেকর্ড করেছি।

এদিন বরিশাল বুলসের দেওয়া ১৯৩ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নামে রাজশাহী। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই রকিবুল বিদায় নিলে মাঠে নামেন সাব্বির। এরপর ৬১ বলে সমান ৯টি করে চার ও ছক্কায় ১২২ রান করেন তিনি। মূলতঃ তার ব্যাটে ভর করেই জয়ের স্বপ্ন দেখেছিল তারা। যদিও তার অনবদ্য ইনিংসের পরও হারের স্বাদ নিতে হয় রাজশাহীকে। সেঞ্চুরি পেয়ে খুশি হলেও দলের হারে দারুণ হতাশ সাব্বির।

‘আমি সব সময় দলের জন্য খেলি। দলের পরিস্থিতি বিবেচনা করেই খেলার চেষ্টা করি। আসলে দলের জয়টাই বড় ব্যাপার আমার কাছে। তাতে আমি এক রান করি আর দশ রান করি এটা গুরুত্বপূর্ণ আমার কাছে। আজকে ১২২ রান করেছি ভালো লাগছে। কিন্তু হেরে আফসোস লাগছে।’

এদিন প্রতিটি ছক্কা মারার পর হাত ঘুরিয়ে মুষ্ঠিবদ্ধ উদযাপন করেন সাব্বির। এটা থেকে তিনি আরও ভালো করার আত্মবিশ্বাস পান বলে জানান তিনি, ‘এটা আমার শক্তি। আমি যখন পজেটিভ থাকি এইসব বেশি করলে অনেক আত্মবিশ্বাসী মনে হয়। যখন করি তখন ফোকাসে থাকি। এটা করলে আমার পরের বলে আক্রমণ করার স্পৃহা থাকে। আমি উপভোগ করি এইসব জিনিস।’

আরটি

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।